বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০১৫

বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) অধীনে শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা পদ্ধতিতে কতিপয় পরিবর্তন আনা হয়েছে যা দ্বাদশ শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা থেকে কার্যকর হবে।



বেসরকারি শিক্ষক নিয়োগে প্রিলিমিনারি পাসের পর লিখিত পরীক্ষা  
বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা পদ্ধতিতে পরিবর্তন আনা হয়েছে। একসঙ্গে পরীক্ষার পরিবর্তে এখন থেকে আলাদাভাবে প্রিলিমিনারিতে পাস করার পর লিখিত পরীক্ষা দিতে হবে পরীক্ষার্থীদের
 বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বুধবার তথ্য জানিয়েছে
 বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আগে স্কুল এবং কলেজ পর্যায়ে দুটি পরীক্ষা একসঙ্গে ঘণ্টা ধরে (এমসিকিউ পদ্ধতিতে আবশ্যিক বিষয়ের পরীক্ষা ঘণ্টা এবং বর্ণনামূলক পদ্ধতিতে বিষয়ভিত্তিক লিখিত পরীক্ষা ঘণ্টা) বিরতিহীনভাবে নেওয়া হতো। আগামী দ্বাদশ শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার ক্ষেত্রে প্রার্থীদের অনলাইনে আবেদন করার পর প্রথম ধাপে ঘণ্টার ১০০ নম্বরের প্রিলিমিনারি টেস্ট অনুষ্ঠিত হবে
স্কুল পর্যায়ের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা প্রথম দিনে এবং কলেজ পর্যায়ের প্রিলিমিনারি টেস্ট দ্বিতীয় দিনে অনুষ্ঠিত হবে। স্বল্প সময়ের মধ্যে প্রিলিমিনারি পরীক্ষার ফলাফল ঘোষণা করা হবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে
 আরও জানানো হয়েছে, এরপর প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীরা দ্বিতীয় ধাপে অনলাইনে পূরণ করা আবেদনপত্রের প্রিন্ট কপির সঙ্গে শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদপত্রসহ অন্যান্য কাগজপত্র পাঠাবেন। আবেদন যাচাই-বাছাইয়ের পর যোগ্য প্রার্থীদের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের নিবন্ধন সনদপত্র দেওয়া হবে
 প্রিলিমিনারি পরীক্ষা আগের মতো ২০টি জেলাভিত্তিক কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে। তবে দ্বিতীয় ধাপের পরীক্ষার কেন্দ্র প্রয়োজনে কমানো হবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে
 বেসরকারি স্কুল কলেজে শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পেতে হলে এনটিআরসিএ সনদ বাধ্যতামূলক। পরীক্ষার মাধ্যমে এনটিআরসিএ সনদ দিয়ে থাকে। ইতোপূর্বে বেসরকারি স্কুল কলেজে শিক্ষক নিবন্ধনের ১১টি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে
 নিবন্ধন সনদের মেয়াদ আগে বছর থাকলেও কয়েক বছরে আগে তা আজীবন করা হয়েছে
দৈনিক শিক্ষা.কম প্রকাশিত / প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য ছবি, আলোকচিত্র, রোখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না

মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল, ২০১৫

কিভাবে একজন কম্পিউটার হার্ডওয়্যার এক্সপাট হবেন????

আসালামু আলাইকুম,
কেমন আছেন সবাই?আশা করি আল্লাহর রহমতে সবাই ভালই আছেন।আমি ও ভালো আছি।
আমি সাতক্ষীরা সরকারি বিদ্যালয়ে ৭ম ক্লাস এর ছাএ।আমি কম্পিউটার নিয়ে পরে থাকি এবং অনেক কিছু আপনাদের সাথে শেয়ার করি।তো যাই হোক আজ আমি আপনাদের মাঝে নিয়ে এসেছি"কিভাবে একজন কম্পিউটার হার্ডওয়্যার এক্সপাট হবেন" ভাবছেন যে আমি ক্লাস সেভেন এ পরি আমি আপনাদের কি শিখাবো!এই কথাটি পোস্ট টি পড়ার পরে ভাবুন।কোন একটি বিষয়ে দক্ষ হওয়ার অর্থ হচ্ছে  বিষয়টি আপনার হাতের নাগালে রাখা।আপনি যদি কম্পিউটার বিষয়ে দক্ষ হতে চান তাহলে আপনাকে কম্পিউটারের সকল বিষয় সম্পর্কে জানতে হবে।জানতে হবে আপনাকে হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যার সম্পর্কে।এবং সবসময়ই যোগাযোগ রাখতে হবে ইন্টারনেট এর সাথে।কারন ইন্টারনেট হচ্ছে বর্তমান সময়ের সবচেয়ে শিক্ষিত।মনে রাখতে হবে এটা একটি সময় এবং সাপেক্ষ ব্যাপার।
কিন্তু একবার আয়ত্তে আনতে পারলে জটিল থেকে জটিল সমস্যাও আপনার কাছে সাধারণ বলে মনে হবে।


১।কম্পিউটার দক্ষ একজন বাক্তিকে  অবশ্যই কম্পিউটারের যন্ত্রাংশ মানে hardware এবং সফটওয়্যার সম্পর্কে ধারনা থাকতে হবে।

২।ধাপে ধাপে শিকতে শুরু করুন।উইন্ডোজের
অপারেটিং সিস্টেম দ্বারা শুরু করা ভাল।উইন্ডোজেরের সাধারণ (Basic) কাজ থেকে শুরু করুন এবং আগ্রহের সাথে চালিয়ে যান।সেই সাথে Windows Registry এর কাজ করতে শিখুন।

৩।তারপর আপনার অবশ্যই Basic প্রোগ্রামিং ভাষা C সম্পর্কে পূর্ণ জ্ঞান লাভ করতে হবে।কোন ভাবেই মাঝ পথে শেখা ছাড়বেন না,নতুবা এটি কোন কাজেই আসবে না।

৪।তারপর উইন্ডোজ প্রোগ্রামিং করতে শিখুন Visual Studio 6.0 দ্বারা ।

৫।এখন সময় হল উইন্ডোজকে বাদ দিয়ে লিনাক্সে ঢুকে পরা।ফেডোরা বা উবুন্ট দুইই ভাল অপশন ।

৬।ভালভাবে স্কিট্পিং শিখুন।যতটা সম্ভাব কমান্ডগুলো মনে রাখার চেষ্টা করুন।এক্ষেএে gedit এর মত এটও এর পরি  বর্তে "VI" এডিটর এর ব্যাবহার করুন ।

৭।কম্পিউটারের গঠন প্রণালী ও অপারেটিং সিস্টেম কাঠামো সম্পর্কে ধারনা নিন।

৮।আপনি যখন উপরের ধাপগুলো পেরিয়ে এসেছেন, এখন আপনি একটি কম্পিউটার হার্ডওয়্যার বা নেটওয়ার্ক কোর্সে যোগ দিতে পারেন।

৯। এখন আপনি নিজে নিজে নিজেই Expert হওয়ার পথ বা বিষয় নিবাচন করতে সক্ষম।

১০।উপরের সবকয়টি ধাপ পেরুনোর পর আপনি এখন কম্পিউটারের Basic Troubleshoot এবং প্রায় সব ধরনের সাধারণ কার্যাবলী সম্পর্কে পূর্ণ জ্ঞান রাখেন।তখন খেয়াল করে দেখবেন আপনার চারপাশের লোকজনেরা নিজে থেকেই আপনাকে Expert হিসাবে চিহ্নিত করবে।
কোনভাবেই হাল ছাড়বেন না।এগুলো শিকতে সময় লাগা টা স্বাভাবিক।
চেষ্টা চালালে তা ১০০% সিওর ভাবে ভাল ফল আসবে আশাকরি।


((((এখন যারা মোটা Exepert হবেন ...তারা নিচের বিষয় সম্পর্কে পূর্ণ জ্ঞান আনুন ।।)))
কম্পিউটার কি? ,  কম্পিউটার এর ইতিহাস , কম্পিউটার এর ব্যাবহার , কম্পিউটারের গঠন প্রনালি ,
হার্ডওয়্যার , সফটওয়্যার , ইন্টারনেট , প্রিন্টার ,
মডেম ,  প্রেনড্রাইভ , সোজা কথা কম্পিউটার সম্পর্কিত সকল বিষয়ই আপনাকে জানতে হবে ।

পোস্ট টি কেমন লাগল?আশা করি ভাল লেগেছে।
সবাই ভাল থাকুন ,সুস্থ থাকুন আর আমার ব্লগ এর সঙ্গে থাকুন।

অপারেটিং সিস্টেম থাকা অবস্থায় কীভাবে হার্ডডিস্কের ড্রাইভ বাড়াবেন?

আসালামু আলাইকুম,

সবাই কেমন আছেন?আশা করি সবাই আল্লাহর রহমতে ভালো আছেন।আমি ও ভালো
।চলুন শুরু করি আজকেন টিউন তাহলে আজকে আমি আপনাদের দেখানোর চেষ্টা করবে যে কীবাবে উইন্ডোজ থাকা অবস্থায় হার্ডডিস্কের পার্টিশন বাড়াবেন?


প্রতমে আপনার কম্টিউটারের My Computer  এর উপর মাইস রেখে নাইট বাটনে ক্লিক করুন দেখবেন Manage একটি অপশন আছে। ঐটায় ক্লিক করুন। নিচের ছবিটে মার্ক করা।একটু দেখানোর চেষ্ট করি।


 উপরে ভালো করে দেখুন Device Management নামে মার্ক করা যে অপশন ঐটায় ক্লিক করেন।এবার আপনার কম্পিউটারে যে কয়টা ড্রাইভ আছে সেগুলো শো করবে।এখন আপনি যে কোন ড্রাইভ খেকে একটা নতুন ড্রাইভ করতে পারেন। আমি শেষের টায় করেছি তাই শেষেরটায় দেখালাম।পদ্ধতি সবগুলোর জন্য একই।


মনে করুন F  ড্রাইভে পার্টিশন করে আর একটা ড্রাইভ করবেন।তাহলে F  ড্রাইভে উপর মাউস রেখে ডান বাটনে ক্লিক করুন্ দেখেবেন Shrink Volume নামে একটা অপশন পাবেন ঐটায় ক্লিক করেন দেখবেন উপরের Shrink (F)নামের যে চার্টাটা দেখছেন ঐরকম আসবে।5874৮ এই জায়গায় দিবেন টিক তত যত আপনি নিউ ড্রা্ইভে রাখতে চান।এরপর Shrink এ ক্লিক করলে নতুন ড্করাইব তৈরী হয়ে যাবে।এবার নতুন ড্রাইভটির উপর ডান বাটন ক্লিক করে New Simple Volume এ ক্লিক করুন্‌রেপর যতগুলো  Next  পাবেন বার বার Next করুন।নিচের ছবিরমত।ব্যাস কাজ শেষ।


  Mobile-01715-268086

সোমবার, ২৩ মার্চ, ২০১৫

আপনার ফাইল বা ফোল্ডার কি?ডিলেট হচ্ছে না!!!সমাধান পেতে এদিকে আসুন

আসালামু আলাইকুম,
সবাই কেমন আছেন?আসাকরি সবাই আল্লাহর রহমতে ভালো আছেন ।আমি ও ভালো আছি।আমি মোঃ সাদাত রহমান সাকিব।আমি সাতক্ষীরা উচ্চ বিদ্যালয় এ ৭ম শ্রেণি তে পড়ি।আমি আপনাদের জন্য তৈরি করেছি এই ছোট ব্লগ।আশাকরি আপনারা আমার এই ব্লগ থেকে সবরকম সেবা পাবেন।তো যায় হোক অনেক সময় দেখা যায় যে আপনার কোন অপ্রয়োজনীয় সফটওয়্যার বা ফোল্ডার ডিলেট হচ্ছে না।
এটা সাধারণত ভাইরাস এর কারণে হয়ে থাকে।আর আমি আজ আপনাদের মাঝে এমন একটি সফটওয়্যার শেয়ার করবো যেটা না ডিলেট হওয়া ফাইল ডিলেট করে দেয় কোন ঝামেলা ছাড়া ।তো আর দেরি না করে সফটওয়্যার তো ডাউনলোড করে ফেলুন


http://www.mediafire.com/download/0s3fk171vt6amlx/Unlocker%28Shakib-Soft.Blogspot.Com%29.exe
সফটওয়্যার টি ইন্সটল করুন ।
তারপর যেয় ফাইল টি ডিলেট করবেন ঐ ফাইল ডিলেট করুন।দেখবেন এই সফটওয়্যার টি মেনু আসবে ঐখান থেকে ডিলেট করে দিন।ব্যাস কাজ শেষ...
 আগামীকাল সাতক্ষীরাতে শুরু হচ্ছে ডিজিটাল উদ্ধাবনি মেলা ২০১৫ আমি কিছু প্রোজেক্ট দেখাবো দোয়া করবেন যেন আমাদের সাতক্ষীরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ১ম হয়।২০১৩ সালে আমাদের বিদ্যালয় ২তম হয়েছিল।আর সবাই কে মেলায় আশার জন্য দাওয়াত থাকল।
তাহলে আগামী পোস্ট এ দেখা হবে।
সবাই ভালো থাকবেন ।
আল্লাহ হাফেজ।

কম্পিউটারের গতি বাড়ানোর কিছু উপায়

আসালামু আলাইকুম,
সবাই কেমন আছেন?আসাকরি সবাই আল্লাহর রহমতে ভালো আছেন ।আমি ও ভালো আছি।আমি জাহিন জাওয়াদ। আমি সাতক্ষীরা উচ্চ বিদ্যালয় এ ৭ম শ্রেণি তে পড়ি। আসা করি আমার আজকের পোস্ট আপনাদের কাজে আসবে


 কম্পিউটারের গতি বাড়ানোর কিছু উপায়ঃ
. জায়গা খালি করুন
অনেক কম্পিউটারেরই হার্ড ডিস্কের
জায়গা ভর্তি হয়ে যাওয়ায়
সেগুলো ধীর হয়ে যায় আর হার্ড
ডিস্কের
জায়গা খালি না করলে কোনোভাবেই
সেগুলোর গতি ফেরানো সম্ভব হয় না
প্রত্যেক হার্ড ডিস্কেরই কমপক্ষে পাঁচ
ভাগ স্থান খালি রাখা প্রয়োজন তাই
গতি বাড়ানোর জন্য প্রথমেই
আপনাকে হার্ড ডিস্কের কিছু
জায়গা খালি করতে হবে
. কম্পিউটার ঠাণ্ডা রাখুন
কম্পিউটারের ভেতরের
যন্ত্রগুলো অতিরিক্ত গরম
হয়ে গেলে তার
গতি কমে যেতে পারে কিংবা বন্ধও
হয়ে যেতে পারে
সমস্যা দেখা দিলে প্রথমেই
কম্পিউটারের বাতাস চলাচলের
পথগুলো উন্মুক্ত রাখতে হবে
ভেতরে ময়লা জমলে তা ভালোভাবে পরিষ্কার
করতে হবে
ল্যাপটপে এমনটা হলে বাড়তি ফ্যানসহ
কুলিং প্যাড ব্যবহার করতে পারেন
আর ডেস্কটপ কম্পিউটার বেশি গরম
হলে বাড়তি ফ্যান লাগানোর
ব্যবস্থা করতে হবে
. টেম্পোরারি ফাইল ডিলিট করুন
আপনার ইন্টারনেটের
ফাইলগুলো কি কখনো ডিলিট
করেছেন? যে কোনো ওয়েবসাইট
ভিজিট করলেই এসব ফাইল কম্পিউটার
সেভ করে রাখে আর প্রক্রিয়ায়
কম্পিউটার ক্রমে ধীরগতির হয়ে যায়
ঝামেলা দূর করার জন্য আপনার
নিয়মিত টেম্পোরারি ফাইল ডিলিট
করা উচিত
. একসঙ্গে বেশি প্রোগ্রাম
চালাবেন না
কম্পিউটারে যদি আপনার
একসঙ্গে অনেকগুলো প্রোগ্রাম
কিংবা ওয়েবসাইট চালানোর
অভ্যাস থাকে তাহলে সেটা বাদ
দিন কারণে কম্পিউটারের
ব্যবহারযোগ্য মেমোরি কমে যায়
এবং কম্পিউটারের গতিও
কমে পাল্লা দিয়ে
. কম্পিউটার চালু
কম্পিউটার চালুর সময় একাধিক
প্রোগ্রাম চলতে শুরু করলে তা আপনার
কম্পিউটারের
গতি অনেকাংশে কমিয়ে দেবে (যেমন
মেসেঞ্জার, একাধিক ভাইরাস গার্ড,
স্কাইপ) সমস্যা মোকাবেলায়
প্রোগ্রামগুলো যেন শুধু প্রয়োজনের
সময়েই চলে এবং অন্য সময় না চলে,
সেটা নিশ্চিত করতে হবে

এবার খলুন নাম ছাড়া ফোল্ডার।চমকে দিন সবাই কে

আসালামু আলাইকুম,
আসালামু আলাইকুম,
সবাই কেমন আছেন?আসাকরি সবাই আল্লাহর রহমতে ভালো আছেন ।আমি ও ভালো আছি।আমি মোঃ সাদাত রহমান সাকিব।আমি সাতক্ষীরা উচ্চ বিদ্যালয় এ ৭ম শ্রেণি তে পড়ি।আমি এখন মেলার ৬নং স্টল এ বসে আছি।আমি আপনাদের একটি পুরানো জিনিস শিখাব।

আপনি আপনার ফোল্ডার কে নাম ছাড়া বানতে পারবেন।এবং উধাও করে রাকতে পারবেন।
New Folder লেখাটি মুছে টাইপ করুন Alt+0160 এবং Alt কি ছেড়ে দিন ।নিচে ছবি দেখুনঃ
এবং আপনি এবার ঐ ফোল্ডার এর Properties এ যান এবং Customize এ CustomizeIcon এ যান এবং ফাকা জায়গাই ক্লিক করুন।
নিচে চিত্র দেখুনঃ

  এবং OK করুন।
এবার দেখুন ম্যাজিক।আশা করি সবাই বুঝে গেছেন
আমার স্টলে আশার দাওয়াত থাকল।
আগামী পোস্ট এ দেখা হবে।
সবাই ভালো থাকবেন ।
আল্লাহ হাফেজ।